Bangla Grammar and Parts of Speech: questions and answers
Bangla Grammar and Parts of Speech has 398 questions from Petrobangla and Energy Sector recruitment exams and is part of Bangla Language and Literature. The 15 sample questions below come with the correct answer and an explanation.
উত্তর বিসর্গসন্ধি, কারণ খাঁটি বাংলা শব্দে বিসর্গ (ঃ) উচ্চারিত হয় না। বাংলা নিজের শব্দে কেবল স্বর আর ব্যঞ্জনের মিলন ঘটায়। ‘মনঃ + যোগ = মনোযোগ’, ‘নিঃ + চয় = নিশ্চয়’ ধরনের বিসর্গসন্ধি পাওয়া যায় শুধু সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দে। তাই খাঁটি বাংলার সন্ধি দুই রকম: স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি।
উত্তর ক্রিয়া ও সর্বনাম। সাধু থেকে চলিতে গেলে সবচেয়ে বেশি বদলায় এই দুই পদ। ক্রিয়ায়: ‘করিয়াছিলেন’ হয় ‘করেছিলেন’, ‘যাইতেছি’ হয় ‘যাচ্ছি’। সর্বনামে: ‘তাহার’ হয় ‘তার’, ‘যাহা’ হয় ‘যা’। বিশেষ্য ও বিশেষণ দুই রীতিতে প্রায় একই থাকে।
উত্তর পাঁচ। প্রচলিত ব্যাকরণে পদ পাঁচ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া। বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দই পদ। ২০১৯ সাল থেকে এনসিটিবির নতুন ব্যাকরণ বইয়ে আট প্রকার দেখানো হয় (অনুসর্গ, যোজক, আবেগ আলাদা করে), তবে চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নে সাধারণত পাঁচই উত্তর ধরা হয়।
উত্তর সভাপতি। পদটি পুরুষ বা নারী যে-ই হোক একই নামে ডাকা হয়, আলাদা স্ত্রীবাচক রূপ নেই। অন্যগুলোর আছে: শিক্ষক থেকে শিক্ষিকা, বাঘ থেকে বাঘিনি, গুরু থেকে গুরুপত্নী। একইভাবে রাষ্ট্রপতি, বিচারপতিরও নারীবাচক রূপ নেই।
উত্তর ৩০। বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি ধরা হয়: ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি ও ৩০টি মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি। যে ধ্বনিকে আর ভাঙা যায় না, সেটিই মৌলিক। বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, কিন্তু সব বর্ণ আলাদা ধ্বনি নয়, যেমন ‘ণ’ ও ‘ন’ একইভাবে উচ্চারিত হয়।
উত্তর ওষধি। যে উদ্ভিদ একবার ফল দিয়ে ফল পাকার পর মরে যায়, তাকে ওষধি বলে। ধান, গম, কলা এর পরিচিত উদাহরণ। ‘ফলজ’ মানে শুধু ফল থেকে জাত, আর সবজি বা শাক খাবারের নাম, উদ্ভিদের জীবনচক্র বোঝায় না।
উত্তর আলুনি। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ‘আ’ অভাব বোঝায়: আলুনি মানে লবণ নেই, আধোয়া মানে ধোয়া হয়নি। ‘অকাজ’-এ ‘অ’ নিন্দিত বা মন্দ অর্থ দেয়। ‘নিখুঁত’-এর ‘নি’ সাধারণত নেতি বা নাই অর্থে আলাদা করে পড়ানো হয়, তাই প্রচলিত তালিকায় ‘অভাব’ অর্থের উদাহরণ ‘আলুনি’।
উত্তর বনস্পতি (বিকল্পে ছাপা ‘বনম্পতি’ এই শব্দেরই ভুল রূপ)। যে বড় গাছে ফুল ফোটে না অথচ ফল ধরে, তাকে বনস্পতি বলে, যেমন বট বা অশ্বত্থ। ‘বন্ধ্যা’ মানে যার সন্তান বা ফল হয় না। ‘আগাছা’ অপ্রয়োজনীয় গাছ।
উত্তর অস্বীকার। ‘অপলাপ’ মানে সত্য বা জানা কথা মেনে না নেওয়া, চেপে যাওয়া। ‘সত্যের অপলাপ’ কথাটি এই অর্থেই ব্যবহার হয়, মানে সত্যকে অস্বীকার করা। ‘প্রলাপ’ মানে অর্থহীন বকবক, যা শুনতে কাছাকাছি হলেও আলাদা শব্দ। বিবাদ বা অবিশ্বাস এর অর্থ নয়।
উত্তর ‘তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে’। ‘না’ বাদ দিয়ে একই ভাব রাখতে হলে উল্টো অর্থের শব্দ লাগে। ‘চলে না’ আর ‘অচল হয়’ একই কথা বলে। শুধু ‘না’ ফেলে দিয়ে ‘তাতে সমাজজীবন চলে’ লিখলে কথাটির মানে পুরো উল্টে যায়, তাই সেটি ভুল।
উত্তর রূপতত্ত্ব। বচন হলো বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যা বোঝানোর উপায়: একবচন বা বহুবচন। ‘টা’, ‘গুলো’, ‘রা’ ধরনের অংশ যোগ করে শব্দের রূপ বদলায়, তাই এটি শব্দের গঠন নিয়ে আলোচনা করা রূপতত্ত্বের বিষয়। ধ্বনিতত্ত্ব শব্দের উচ্চারণ নিয়ে, বাক্যতত্ত্ব বাক্য গঠন নিয়ে।
উত্তর কর্মকারক। ক্রিয়াটি যার ওপর গিয়ে পড়ে, সে কর্ম। এখানে শ্রদ্ধার লক্ষ্য গুরুজন, আর ‘কে’ বিভক্তি দ্বিতীয়া বা কর্মের চিহ্ন। সম্প্রদান হতে হলে নিজের স্বত্ব ছেড়ে কিছু দিতে হয়, শ্রদ্ধায় তেমন কিছু দেওয়া হয় না। কর্তা, করণ বা অপাদানের কোনো লক্ষণও এখানে নেই।
উত্তর বিদ্যুৎ। ‘দামিনী’ বিদ্যুতের প্রতিশব্দ, একই অর্থে আছে সৌদামিনী, তড়িৎ, চপলা, ক্ষণপ্রভা। রাত্রির প্রতিশব্দ যামিনী, যা শুনতে কাছাকাছি, তাই এখানে গুলিয়ে ফেলার ঝুঁকি বেশি। ধরণী মানে পৃথিবী, জলধি মানে সমুদ্র। প্রতিশব্দ মনে রাখতে বিদ্যুৎ, রাত, সমুদ্রের তালিকা একসঙ্গে পড়া ভালো।
উত্তর পদ। একটি শব্দ যখন বিভক্তি নিয়ে বাক্যে বসে, তখন তাকে পদ বলে, যেমন ‘ছেলেটি বই পড়ছে’ বাক্যে তিনটি পদ। বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত চিহ্ন, ধ্বনি হলো উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম একক। কারক পদের ভূমিকা বোঝায়, পদ নিজে নয়।
উত্তর ধ্বনি বিপর্যয়। শব্দের ভেতরে দুটি ব্যঞ্জন জায়গা বদল করলে তাকে এই নাম দেওয়া হয়। উদাহরণ: বাক্স থেকে বাস্ক, রিকশা থেকে রিস্কা। অপিনহিতিতে পরের ই বা উ আগে চলে আসে (আজি থেকে আইজ), আর বিপ্রকর্ষে যুক্তব্যঞ্জনের মাঝে স্বর ঢুকে পড়ে (রত্ন থেকে রতন)।